যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1779 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করেছিল। এই লেভেলের দ্বিতীয় টেস্টের ফলে ইউরোর বাই সিগন্যালের পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের সুযোগ পাওয়া যায়, যার ফলে এই পেয়ারের মূল্য মাত্র 10 পিপস বৃদ্ধি পেয়েছে।
সম্প্রতি ফেডারেল রিজার্ভের কর্মকর্তারা মন্তব্য করেছেন যে মূল সুদের হার অপরিবর্তিত রাখা হবে, তবে এটি মার্কিন ডলারকে প্রত্যাশিত সমর্থন দিতে ব্যর্থ হয়েছে। মনে হচ্ছে মার্কেটের ট্রেডাররা ইতোমধ্যেই বর্তমান আর্থিক নীতিমালা অপরিবর্তিত রাখার বিষয়টি বিবেচনা করেছে, এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিনিধিদের আশ্বাস তাদের বর্তমান প্রত্যাশার পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি। উপরন্তু, ভবিষ্যতে সুদের হার হ্রাসের পরোক্ষ কোনো ইঙ্গিত না পাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে মন্থরতার বিষয়ে উদ্বেগ তীব্র হয়েছে, যা পরোক্ষভাবে মার্কিন ডলারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
আজ দিনের প্রথমার্ধে বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। বিনিয়োগকারীরা প্রধানত জার্মানির জিডিপি সংক্রান্ত প্রতিবেদনের দিকে নজর রাখবে। আসন্ন প্রতিবেদনের ফলাফল জার্মানির অর্থনৈতিক পরিস্থিতির দুর্বলতা নির্দেশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইউরোর উল্লেখযোগ্য দর বৃদ্ধিতে অতটা সহায়ক হবে না।
একই সঙ্গে, ইউরোজোনের ভোক্তা মূল্য সূচক সম্পর্কিত মূল সূচকগুলোও প্রকাশিত হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। মূল সূচক, যা পণ্য ও খাদ্য মূল্যের ওঠানামা বাদ দিয়ে বিবেচনা করা হয়, স্থায়ী মুদ্রাস্ফীতি চাপকে আরও সঠিকভাবে প্রতিফলিত করে ধরা হয়। অর্থনীতিবিদেরা পূর্বাভাস দিচ্ছেন সূচকটির হার 2.2% পর্যন্ত নামবে, যা ইসিবির লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে প্রায় সঙ্গতিপূর্ণ। যদি এই প্রতিবেদনের ফলাফল অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হয়, তাহলে মার্কেটে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য মুভমেন্ট সৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।
দৈনিক কৌশল হিসেবে, আমি মূলত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1829-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1811-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1829-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1798-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1811 ও 1.1829-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1798-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1781-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1811-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1798 এবং 1.1781-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
