Americké akcie v úterý klesly, když investoři vstřebávali slabé údaje o maloobchodních tržbách a pokračující konflikt mezi Izraelem a Íránem, přičemž se blíží další zasedání Federálního rezervního systému.
V 15:35 SEČ index Dow Jones Industrial Average klesl o 135 bodů, tj. o 0,3 %, index S&P 500 poklesl o 22 bodů, tj. o 0,4 %, a index NASDAQ Composite oslabil o 95 bodů, tj. o 0,5 %.
শুক্রবার GBP/USD কারেন্সি পেয়ারের মূল্যের অত্যন্ত স্বল্প মাত্রার অস্থিরতা পরিলক্ষিত হয়েছে, যেখানে মার্কেটের ট্রেডাররা গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামষ্টিক পরিসংখ্যানের প্রতি একেবারেই আগ্রহ দেখায়নি। এর কারণটি আংশিকভাবে স্পষ্ট। জেরোম পাওয়েল ইতোমধ্যেই দু'বার জানিয়েছেন যে ফেড পুরোপুরিভাবে মুদ্রাস্ফীতির ওপর মনোযোগী রয়েছে, এবং এই সপ্তাহে প্রকাশিতব্য মুদ্রাস্ফীতি সূচকের হার মাত্র এক মাসে 1% বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে ফেডারেল রিজার্ভ নিকট ভবিষ্যতে গুরত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে ভোক্তা মূল্য সূচকের ওপর নির্ভর করবে। সেজন্য শ্রমবাজার এবং বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোর গুরুত্ব কমে এসেছে। তবে "কম গুরুত্বপূর্ণ" মানেই "গুরুত্বহীন" নয়। আমরা মনে করি যে মার্কেটের ট্রেডাররা এখনও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূ-রাজনৈতিক সংঘাতের মধ্যে প্রায় সকল সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রতিবেদন উপেক্ষা করে চলছে। ব্রিটিশ পাউন্ডের চার্টে একটি নতুন ডিসেন্ডিং ট্রেন্ডলাইন গঠিত হয়েছে, যা কেবল আনুষ্ঠানিক হিসেবে বিবেচনা করা যায়। কারণ মার্কেটে কেবল ভূ-রাজনৈতিক খবর প্রভাবে মুভমেন্ট সৃষ্টি হচ্ছে, এবং সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দেখা গেছে যে মার্কেটে সম্পূর্ণভাবে এলোমেলো মুভমেন্ট দেখা যাচ্ছে।

শুক্রবার ৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে একটি ট্রেডিং সিগন্যাল গঠিত হয়েছে। মার্কিন সেশনের সময় এই পেয়ারের মূল্য 1.3203-1.3212 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করেছিল, কিন্তু স্বল্প মাত্রার অস্থিরতার কারণে ট্রেডাররা এই সিগন্যাল থেকে খুব একটা মুনাফা অর্জন করতে পারেনি। ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য নির্ধারিত দিকে 10-15 পিপসও এগোয়নি। ফলে এই ট্রেড থেকে লাভ বা লোকসান কোনোটিই হয়নি।
ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে GBP/USD জোড়া আবারও নিম্নমুখী ট্রেন্ড গঠন করছে। মধ্যমেয়াদে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির জন্য বৈশ্বিক পর্যায়ে কোনো কারণ দেখা যাচ্ছে, তাই ২০২৬ সালে আমরা ২০২৫ থেকে শুরু হওয়া এই পেয়ারের মূল্যের বৈশ্বিক উর্ধ্বমুখী প্রবণতা পুনরায় শুরু হওয়ার প্রত্যাশা করছি। তবে এজন্য বিশ্বব্যাপী চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা হ্রাস পাওয়া দরকার, কারণ বর্তমানে মূলত ভূ-রাজনৈতিক কারণেই মার্কিন ডলারের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সোমবার, যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3203-1.3212 এরিয়ার নিচে কনসোলিডেট করে, তাহলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করার কথা বিবেচনা করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3096-1.3107 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3203-1.3212 এরিয়ার উপরে কনসোলিডেশন করে তাহলে লং পজিশন ওপেন করা যাবে, যেখানে মূল্যের 1.3259-1.3267 এরিয়ার দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।
৫-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.3096-1.3107, 1.3203-1.3212, 1.3259-1.3267, 1.3319-1.3331, 1.3403-1.3407, 1.3437-1.3446, 1.3484-1.3489, 1.3529-1.3543, 1.3643-1.3652, 1.3695, এবং 1.3741-1.3751। আজকে যুক্তরাজ্যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট নির্ধারিত নেই, আর যুক্তরাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ ISM সার্ভিসেস ইনডেক্স বা পরিষেবা সূচক প্রকাশিত হবে, যেটির ফলাফল ট্রেডাররা সহজেই উপেক্ষা করতে পারে—ঠিক যেমনটি গত শুক্রবার প্রকাশিত নন-ফার্ম পেরোল ও বেকারত্ব সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোর ক্ষেত্রে হয়েছিল।
নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।
ফরেক্স ট্রেডিংয়ে নতুন ট্রেডারদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ট্রেড লাভজনক হবে না। দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ে সফলতা অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ এবং সঠিক মানি ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।