(Reuters) – Akvizice společnosti U.S. Steel společností Nippon Steel v hodnotě 14,9 miliardy dolarů byla ve středu dokončena, oznámily obě společnosti, což potvrzuje neobvyklou moc prezidenta Donalda Trumpa po 18 měsících snah japonské společnosti o dokončení akvizice.
Podle podmínek dohody koupila společnost Nippon 100 % akcií společnosti U.S. Steel za 55 dolarů za akcii, jak původně uvedla ve své nabídce z prosince 2023 na koupi známého, ale finančně strádajícího výrobce oceli.
Společnosti také zveřejnily podrobnosti dohody o národní bezpečnosti uzavřené s vládou, která dává Trumpovi pravomoc jmenovat člena představenstva a také neekonomickou zlatou akcii.
Mluvčí Bílého domu Kush Desai označil dohodu za historickou a uvedl, že zlatá akcie „ochrání národní a ekonomickou bezpečnost Ameriky“.
স্বর্ণের মূল্যের কারেকশনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো কৌশলগতভাবে স্বর্ণ ক্রয়ের পরিমাণ বাড়িয়েছে, যা সস্তায় মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের ক্রয়ের সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে।
ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের EMEA শাখার প্রধান বিশ্লেষক কৃষাণ গোপলের প্রদত্ত বিশ্লেষণাত্মক প্রতিবেদনে এই প্রবণতা প্রতিফলিত হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত একাধিক বিশ্লেষণাত্মক প্রতিবেদনে গোপল সাম্প্রতিক স্বর্ণ ক্রয়ের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরে জানান যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো দরপতনের সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিয়ে স্বর্ণের রিজার্ভ বাড়াচ্ছে। এই কার্যক্রমের গতিবিধি দেখে বোঝা যাচ্ছে যে ব্যাংকগুলো কম দামে স্বর্ণের রিজার্ভ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
এই বিশ্লেষক উল্লেখ করেন, "চেক প্রজাতন্ত্রের ন্যাশনাল ব্যাংক কর্তৃক প্রকাশিত পরিসংখ্যান মার্চে দেশটির স্বর্ণের রিজার্ভ 2 টন বৃদ্ধির বিষয়টি নিশ্চিত করা গিয়েছে। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে দেশটি মোট 5 টন স্বর্ণ ক্রয় করেছে, যার ফলে দেশটির মোট স্বর্ণের রিজার্ভ বেড়ে 77 টনে পৌঁছেছে।"
একই সময়ে ব্যাংক অব গুয়াতেমালার প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশটির স্বর্ণের রিজার্ভ 2 টন বৃদ্ধি পেয়েছে। গোপল ব্যাখ্যা করেন "দেশটির স্বর্ণের রিজার্ভ আগের মাসের তুলনায় 19% বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এটি গত বছরের সেপ্টেম্বরে (6 টন) রিজার্ভ সম্প্রসারণের পর প্রথম সম্প্রসারণ। বর্তমানে গুয়াতেমালার কাছে 16 টন স্বর্ণ রয়েছে।"
ইন্টারন্যাশনাল মনেটারি ফান্ড (IMF) সংকলিত প্রতিবেদন অনুসারে 2024–2025 সালে স্বর্ণ ক্রয়ে শীর্ষস্থানীয় ক্রেতাদের কার্যক্রম আবারও উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে রয়েছে। গোপল জোর দিয়ে বলেন, "ন্যাশনাল ব্যাংক অফ পোল্যান্ড মার্চে তাদের স্বর্ণ রিজার্ভ মোট 11 টন বৃদ্ধি করেছে। ফলে বছরের শুরু থেকে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক মোট 31 টন স্বর্ণ ক্রয় করেছে এবং তাঁদের মোট স্বর্ণের পরিমাণ এখন 582 টন।"
উজবেকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকও স্বর্ণের মজুদ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে, মার্চে 9 টন স্বর্ণ ক্রয় করেছে—যা ধারাবাহিকভাবে ছয় মাস ধরে স্বর্ণ ক্রয়ের প্রবণতা নিশ্চিত করে। এই বিশ্লেষক জানান, "প্রথম প্রান্তিকে দেশটি 25 টন স্বর্ণ ক্রয় করেছে, ফলে মোট স্বর্ণের রিজার্ভের পরিমাণ 416 টনে দাঁড়িয়েছে।"
চলতি সপ্তাহের শুরুতে পিপলস ব্যাংক অব চায়না মার্চে স্বর্ণের রিজার্ভ 5 টন বাড়িয়েছে বলে জানা যায়—এটি ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির পর থেকে সর্বোচ্চ মাসিক ক্রয়ের। 17 মাস ধরে চীন স্বর্ণ ক্রয় করে চলছেই। আনুষ্ঠানিকভাবে চীনের স্বর্ণের রিজার্ভ বর্তমানে 2,313 টনে পৌঁছেছে।
গোপল ফেব্রুয়ারিতে আরও স্বর্ণ ক্রয়ের কথা উল্লেখ করেছেন। "ন্যাশনাল ব্যাংক অফ কাজাখস্তানের প্রতিবেদন অনুযায়ী ফেব্রুয়ারিতে দেশটির স্বর্ণের রিজার্ভ প্রায় 8 টন বেড়েছে। এর ফলে দেশটির স্বর্ণের রিজার্ভ 348 টনে পৌঁছেছে, যা ২০২৩ সালের জানুয়ারির পর থেকে সর্বোচ্চ স্তর। প্রতিবেদন অনুযায়ী কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর মোট স্বর্ণ ক্রয়ের পরিমাণ ফেব্রুয়ারিতে 27 টনে পৌঁছেছে বলে পূর্বাভাস দেয়া হচ্ছে।"
উল্লেখযোগ্যভাবে, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের পর স্বর্ণের মূল্যের অস্থিরতা বেড়েছে। বিশ্লেষকরা ধারণা করছে যে সামষ্টিক-অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোক স্বর্ণের রিজার্ভ নগদ অর্থে পরিণত করতে হতে পারে।
এই প্রেক্ষাপটে তুরস্কের কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ পরিচালনায় স্বচ্ছতার জন্য নজরকাড়া অবস্থান গ্রহণ করেছে। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী মার্চে তুরস্কের স্বর্ণের রিজার্ভ 69.1 টন কমে যায়, ফলে গত এক মাসে দেশটির স্বর্ণের রিজার্ভ 118 টনেরও বেশি হ্রাস পেয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে এটি 2013 সালের পর তুরস্কের স্বর্ণের রিজার্ভে সবচেয়ে বড় হ্রাস। তুরস্কের কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্পষ্ট করে বলেছে যে স্বর্ণের একটি অংশ বিক্রি করা হয়েছে; তবে বৃহৎ অংশ সোয়াপ অপারেশনের মাধ্যমে নগদ অর্থে পরিণত করা হয়েছে। এই প্রাপ্ত অর্থ দেশটির জাতীয় মুদ্রা (লিরা) ও অন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয়ের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা যায়।