Plzeň – Pivovar Plzeňský Prazdroj loni zejména díky rostoucímu exportu zvýšil meziročně tržby o 6,7 procenta na 23 miliard korun. Čistý zisk klesl o 0,8 procenta na 5,9 miliardy Kč. Společnost loni v Česku investovala 1,65 miliardy korun, meziročně o čtvrt miliardy méně. ČTK to řekl mluvčí firmy Zdeněk Kovář. Dopoledne ČTK řekl, že vývoz loni vzrostl o desetinu na 1,97 milionu hektolitrů a loňské prodeje v ČR zůstaly na 7,3 milionu hektolitrů.
যখন MACD সূচকটি ইতোমধ্যেই শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল, তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1626 লেভেল টেস্ট করেছিল, যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করছিল।
মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে মার্কিন ডলারের দর শক্তিশালীভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদি সংঘাত পুনরায় শুরু হয়, বিশেষত যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালালে ইউরোর তুলনায় মার্কিন ডলারের দর আরও ব্যাপকভাবে বাড়তে পারে। ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বৃদ্ধি পেলে এবং সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা দেখা গেলে প্রচলিতভাবেই মার্কিন ডলারের চাহিদা বাড়ে। অন্যদিকে, ইউরো শুধুমাত্র বাহ্যিক কারণ থেকেই নয়, নাজুক অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতি থেকেও চাপের সম্মুখীন হতে পারে। যদি মার্কিন ডলারের দিকে বিনিয়োগ প্রবাহিত হতে থাকে, তাহলে EUR/USD পেয়ারের দরপতন ঘটতে পারে।
আজ দিনের প্রথমার্ধে অল্প কয়েকটি সামষ্টিক অর্থনৈতিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। ট্রেডাররা ইতালির ট্রেড ব্যালেন্স সংক্রান্ত প্রতিবেদনের দিকে দৃষ্টিপাত করবে। এই প্রতিবেদনের ফলাফল থেকে ইতালির অর্থনীতি ও দেশটির বৈদিশিক বাণিজ্য কার্যকলাপের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে অন্তর্দৃষ্টি পাওয়া যাবে এবং সম্ভবত ইউরোর ওপর সামান্য প্রভাব ফেলতে পারে। একই সময়ে বিনিয়োগকারী ও বিশ্লেষকরা G7 শীর্ষ সম্মেলনের দিকে নজর রাখবেন; বিশেষত বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে G7 জোটের বৈঠক থেকে মার্কেটে আরও গুরুত্বপূর্ণ সংকেত আসতে পারে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, জ্বালানি বা বাণিজ্য নিরাপত্তাসহ এ সংক্রান্ত বিরোধ সংক্রান্ত আলোচনা দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডারদের প্রত্যাশা গঠনে প্রভাব ফেলতে পারে।
দৈনিক কৌশলের ক্ষেত্রে আমি প্রধানত পরিকল্পনা #1 ও #2 বাস্তবায়নের ওপর বেশি নির্ভর করব।
পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1661-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1639-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1661-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ ইউরোজোন থেকে আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1618-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1639 এবং 1.1661-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1618-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1594-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ যেকোনো সময় এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1639-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1618 এবং 1.1594-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।
