বুধবার GBP/USD পেয়ারের মূল্য সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠকের ফলাফলের প্রতি মার্কেটে সামান্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এখনও ফেডের বৈঠকের ফলাফলের ব্যাপারে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত হবে না
বুধবার GBP/USD পেয়ারের মূল্য সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠকের ফলাফলের প্রতি মার্কেটে সামান্য প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এখনও ফেডের বৈঠকের ফলাফলের ব্যাপারে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত হবে না, তবে সাধারণত যে ধরনের মুভমেন্ট দেখা যায়, তা এবার ঘটেনি। প্রকৃতপক্ষে, অধিকাংশ বিশ্লেষকের পূর্বাভাসই ভুল প্রমাণিত হয়েছে। কেউ কেউ ধারণা করেছিলেন যে, কেভিন ওয়ার্শ যদি উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির ওপর জোর দেন, তবে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধি পাবে—কিন্তু তেমনটা ঘটেনি। আবার অনেকে ডলারের দরপতনের আশা করেছিলেন, কারণ মুদ্রানীতি কঠোর হওয়ার সম্ভাবনাগুলো আগেই মার্কেটে অ্যাসেটের মূল্যের উপর প্রভাব বিস্তার করেছে এবং সেপ্টেম্বরের মার্কিন শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফল হতাশাজনক ছিল—কিন্তু মার্কিন ডলারের মূল্যও হ্রাস পায়নি। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত, ব্রিটিশ পাউন্ড এবং ইউরো—উভয়ের মূল্যই তাদের নিজস্ব ট্রেডিং রেঞ্জের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে। বর্তমানে ইউরোর মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতা বিরাজ করছে এবং কোনো নতুন মৌলিক খবর ছাড়াই যেকোনো মুহূর্তে আবারও ইউরোর দরপতন শুরু হতে পারে। অন্যদিকে, ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্ষেত্রে একটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হতে দেখা যাচ্ছে; টেকনিক্যাল সিগন্যাল অনুযায়ী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে বলে পাউন্ডের মূল্য আরও বাড়তে পারে।

বুধবার 5-মিনিটের টাইমফ্রেমে, দুটি সেল সিগন্যাল গঠিত হয়েছিল। এই পেয়ারের মূল্য 1.3319–1.3331 এরিয়া থেকে দুবার বাউন্স করলেও, তা উল্লেখযোগ্য কোনো দরপতন ঘটাতে ব্যর্থ হয়। ফেডারেল রিজার্ভের বৈঠকের পরপরই ট্রেড শুরু করা সাধারণত বুদ্ধিমানের কাজ নয়; তাই নতুন এবং আরও স্পষ্ট সিগন্যাল গঠিত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করাই নতুন ট্রেডারদের জন্য সুবিধাজনক হবে।
ঘণ্টাভিত্তিক টাইমফ্রেমে, GBP/USD পেয়ারের মূল্যের নতুন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হচ্ছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মার্কিন ডলারের বিপরীতে পাউন্ডের মূল্য উল্লেখযোগ্য স্থিতিশীলতা প্রদর্শন করেছে এবং এখন ইউরোর মূল্যের তুলনায় পাউন্ডের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা গঠিত হওয়ার দৃঢ় সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। অধিকাংশ চার্টের টেকনিক্যাল চিত্র অনুযায়ী পাউন্ডের মূল্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। এছাড়া মৌলিক ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং মার্কিন ডলারের ওভারবট কন্ডিশন—সবকিছুই GBP/USD-এর মূল্যবৃদ্ধির অনুকূলে রয়েছে।
বৃহস্পতিবার, এই পেয়ারের মূল্য আবারও 1.3319–1.3331 এরিয়া থেকে বাউন্স করলে নতুন ট্রেডাররা শর্ট পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3259–1.3267-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে। আর যদি এই পেয়ারের মূল্য 1.3319–1.3331 এরিয়ার উপর স্থিতিশীল হয়, তাহলে নতুন ট্রেডাররা লং পজিশন ওপেন করতে পারেন, যেখানে মূল্যের 1.3380–1.3386-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা যেতে পারে।
5-মিনিটের টাইমফ্রেমে ট্রেডিংয়ের জন্য নিম্নলিখিত লেভেলগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে: 1.3043, 1.3096–1.3107, 1.3175–1.3180, 1.3259–1.3267, 1.3319–1.3331, 1.3380–1.3386, 1.3456–1.3476, 1.3587–1.3598, 1.3631–1.3641। বৃহস্পতিবারের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদনগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় প্রান্তিকের জিডিপি এবং পিসিই সূচক উল্লেখযোগ্য—তাই বিকালে মার্কিন সেশনে মার্কেটে বড় ধরনের মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে।
নতুন ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ও প্রতিবেদন: এই তথ্যগুলো অর্থনৈতিক ক্যালেন্ডারে পাওয়া যায় এবং মূল্যের মুভমেন্টে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন বা মার্কেট থেকে বেরিয়ে আসুন, যাতে হঠাৎ করে মূল্যের রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী হওয়ার প্রবণতা এড়ানো যায়।
ফরেক্স ট্রেডিংয়ে নতুন ট্রেডারদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ট্রেড লাভজনক হবে না। দীর্ঘমেয়াদে ট্রেডিংয়ে সফলতা অর্জনের জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গ্রহণ এবং সঠিক মানি ম্যানেজমেন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।