এই ধরনের পরিস্থিতি অপ্রত্যাশিত ছিল না, কারণ উভয় ধাতুর মূল্যই উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে দেখা গেছে। স্বর্ণের মূল্য ঐতিহাসিক সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর ঠিক কয়েক দিন পরেই রেকর্ড দরপতন ঘটে: বৃহস্পতিবার আউন্স প্রতি $5,602-এর লেভেল থেকে স্বর্ণের দর 29.5% পর্যন্ত কমেছে।

একই সময়ে, রূপার মূল্য 68.5% বৃদ্ধি পেয়ে $121-এর ওপরে পৌঁছায়—বছরের শুরুতেই রূপার মূল্যের অস্থিতিশীল গতিশীলতা বেশ স্পষ্ট ছিল।

চলতি বছর শেষে স্বর্ণের মূল্যের $6,000 লেভেলে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। যতক্ষণ ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা বজায় থাকবে, ততক্ষণ স্বর্ণ ও রূপার মতো নিরাপদ বিনিয়োগের চাহিদা বজায় থাকবে।
এই দরপতনকে ক্রয়ের সুযোগ হিসেবে দেখা যেতে পারে, কারণ স্বর্ণ ও রূপার দর বৃদ্ধির মূল কারণগুলো বজায় রয়েছে, যার মধ্যে আছে—G7-ভুক্ত দেশগুলোর ঋণের মাত্রার ব্যাপক বৃদ্ধি, মার্কিন ডলারের প্রতি আগ্রহ হ্রাস, বাণিজ্যিক ও ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, অস্থিরতার বিরুদ্ধে সুরক্ষিত থাকতে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নিরাপদের অ্যাসেটের চাহিদা এবং সম্ভাব্য পুনরায় মুদ্রাস্ফীতির চাপ বৃদ্ধি।যদিও টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী স্বর্ণ ব্যাপকভাবে বিক্রি করা হয়েছে, মূলত মার্কিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও সুদের হার সংক্রান্ত প্রত্যাশার পরিবর্তন দরপতনের মাত্রা বাড়িয়েছে। শুক্রবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কেভিন ওয়ার্শকে ফেডের চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনীত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিশ্লেষকরা সাবেক ফেড গভর্নর ওয়ার্শকে মুদ্রানীতিতে স্থিতিশীলতা আনতে সক্ষম এমন একজন ব্যক্তি হিসেবে দেখছেন।