Sezóna zveřejňování výsledků pokračuje a my vám přinášíme přehled společností, které v příštím obchodním dni zveřejní své finanční výsledky, abyste se mohli připravit na vývoj na trzích. Ve středu budou v čele GMS Inc (NYSE:GMS), Korn/Ferry International (NYSE:KFY) a Aurora Cannabis.
গত শুক্রবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে মার্চে ননফার্ম পেরোল পুনরায় বৃদ্ধি পাওয়ায় ও বেকারত্ব হার অপ্রত্যাশিতভাবে কমে যাওয়ায় মার্কিন ডলার দর বৃদ্ধি পেয়েছে।
ব্যুরো অব লেবার স্ট্যাটিস্টিক্স কর্তৃক শুক্রবার প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী গত মাসে নন-ফার্ম পেরোল 178,000 বৃদ্ধি পেয়েছে—যা ফেব্রুয়ারিতে ব্যাপক হ্রাসের পর থেকে 2024 সালের পর সবচেয়ে ইতিবাচক পরিসংখ্যান। ৩০,০০০‑এরও বেশি স্বাস্থ্যসেবা কর্মীর ধর্মঘট ও তীব্র শীতের কারণে ফেব্রুয়ারিতে নন ফার্ম পেরোলের তীব্র পতন হয়েছে, ফলে অর্থনীতিবিদরা মার্চে কর্মসংস্থান খাতের পুনরুদ্ধারের প্রত্যাশা করছিলেন। ননফার্ম পেরোল বৃদ্ধির ফলে ফেডারেল রিজার্ভ সম্ভবত মুদ্রাস্ফীতির ঝুঁকি সম্পর্কে আরও সতর্ক হবে—বিশেষত ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের ফলে তেলের মূল্যের দ্রুত বৃদ্ধির ঝুঁকি বজায় থাকা অবস্থায়।
শ্রমবাজার প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফলের ব্যাপারে ফেডের প্রতিক্রিয়া আগামী সপ্তাহে ফিন্যান্সিয়াল মার্কেটের মূল প্রভাব বিস্তারকারী উপাদান হবে। কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ইতিবাচক পরিসংখ্যানের কারণ ফেড মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করার উদ্দেশ্যে আরও আগ্রাসী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে এবং এ জাতীয় পদক্ষেপ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ভোক্তাদের জন্য ঋণের ব্যয় বাড়িয়ে দিতে পারে এবং মার্কিন ডলারের আরও দর বৃদ্ধি ঘটাতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত এক মাসের বেশি সময় ধরে অব্যাহত রয়েছে, যা বিশ্ববাজারের জন্য অনিশ্চয়তার প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে তেলের মূল্য তীব্রভাবে বাড়ায় মার্কিন অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা দুর্বল হচ্ছে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর পক্ষে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সমর্থন ও মুদ্রাস্ফীতিকে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে ভারসাম্য রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। মার্কেটের ট্রেডাররা মধ্যপ্রাচ্যের ঘটনাবলী নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন।
সামগ্রিকভাবে, শুক্রবারের মার্কিন শ্রমবাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ইতিবাচল ফলাফল পরিলক্ষিত হয়েছে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি এবং ভূ-রাজনৈতিক উপাদানগুলোর জটিল আন্তঃক্রিয়াকে জোরদার করেছে। বর্তমানে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির সম্ভাবনা আসন্ন বৈঠকে ফেডের সিদ্ধান্ত এবং মধ্যপ্রাচ্য সংকটকে ঘিরে চলমান পরিস্থিতির উপর নির্ভর করবে।

এদিকে, বেকারত্ব হার 4.3%‑এ নেমে এসেছে, যদিও তা আংশিকভাবে শ্রমশক্তি বাজার ত্যাগ করার প্রভাবও প্রতিফলিত করে। কর্মসংস্থান ও জনসংখ্যা রঅনুপাত মার্চে 61.9%-এ নেমে এসেছে, যা 2021 সালের পর থেকে সর্বনিম্ন। 25–54 বছর বয়সীদের (সবচেয়ে কার্যকর বয়সের কর্মী) জন্য কর্মসংস্থানের হারও কমেছে। অর্থনৈতিক কারণে খন্ডকালীন কাজ করা ব্যক্তিদের সংখ্যা বেড়েছে।
EUR/USD‑এর টেকনিক্যাল বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ক্রেতাদের এই পেয়ারের মূল্যকে 1.1540-এর লেভেলের দিকে নিয়ে যেতে হবে। এতে এই পেয়ারের মূল্যের 1.1590-এর লেভেলে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা সম্ভব হবে। যদি ক্রেতারা সফল হয়, তাহলে ইউরোর মূল্য 1.1630 পর্যন্ত বাড়াতে পারে, তবে বড় ক্রেতাদের সমর্থন ছাড়া তা করা কঠিন হবে। সবচেয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে 1.1662‑এর লেভেল নির্ধারণ করা যায়। নিম্নমুখী প্রবণতার ক্ষেত্রে, এই পেয়ারের মূল্য কেবল 1.1510‑এর আশেপাশে থাকা অবস্থায় আমি ক্রেতাদের সক্রিয় হওয়ার প্রত্যাশা করছি। এই পেয়ারের মূল্য উক্ত লেভেলে থাকা অবস্থায় ক্রেতারা সক্রিয় না হলে 1.1485‑এর লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হওয়ার জন্য অপেক্ষা করাই যুক্তিযুক্ত হবে, অথবা এই পেয়ারের মূল্য 1.1445‑এ থাকা অবস্থায় লং পজিশন ওপেন করা উচিত।
GBP/USD‑এর বর্তমান টেকনিক্যাল প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, পাউন্ডের ক্রেতাদের এটির মূল্যকে নিকটস্থ রেজিস্ট্যান্স 1.3230 লেভেলে নিয়ে যেতে হবে। এতে এই পেয়ারের মূল্যের 1.3260‑এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা সম্ভব হবে। ঐ লেভেল অতিক্রম করা কঠিন হতে পারে। পরবর্তী প্রধান লক্ষ্যমাত্রা হিসেবে এই পেয়ারের মূল্যের প্রায় 1.3300-এর দিকে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করকা যেতে পারে। দরপতনের ক্ষেত্রে মূল্য 1.3200‑এ থাকা অবস্থায় বিক্রেতারা মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করবে; তাঁরা সফল হলে ঐ লেভেল ব্রেক করে নিম্নমুখী হলে সেটি ক্রেতাদের জন্য গুরুতর ধাক্কা হবে এবং ব্রিটিশ কারেন্সির মূল্য 1.3160‑এর কাছাকাছি নেমে যেতে পারে, যেখানে 1.3130 পর্যন্ত দরপতনের সম্ভাবনা থাকবে।